
| মডেল | CHCI4-600J-Z | CHCI4-800J-Z | CHCI4-1000J-Z | CHCI4-1200J-Z |
| সর্বোচ্চ ওয়েব প্রস্থ | ৬৫০ মিমি | ৮৫০ মিমি | ১০৫০ মিমি | ১২৫০ মিমি |
| সর্বোচ্চ মুদ্রণ প্রস্থ | ৬০০ মিমি | ৮০০ মিমি | ১০০০ মিমি | ১২০০ মিমি |
| মেশিনের সর্বোচ্চ গতি | ২৫০মি/মিনিট | |||
| সর্বোচ্চ মুদ্রণ গতি | ২০০ মিটার/মিনিট | |||
| সর্বোচ্চ আনওয়াইন্ড/রিওয়াইন্ড ব্যাস। | Φ১২০০মিমি/Φ১৫০০মিমি | |||
| ড্রাইভের ধরন | গিয়ার ড্রাইভ সহ কেন্দ্রীয় ড্রাম | |||
| ফটোপলিমার প্লেট | নির্দিষ্ট করা হবে | |||
| কালি | জল-ভিত্তিক কালি বা দ্রাবক কালি | |||
| মুদ্রণ দৈর্ঘ্য (পুনরাবৃত্তি) | ৩৫০মিমি-৯০০মিমি | |||
| সাবস্ট্রেটের পরিসর | কাগজ, নন-ওভেন, কাগজের কাপ | |||
| বৈদ্যুতিক সরবরাহ | ভোল্টেজ ৩৮০ভি, ৫০ হার্জ, ৩ ফেজ অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা হবে। | |||
১. উচ্চ মুদ্রণ গতি: এই মেশিনটি উচ্চ গতিতে মুদ্রণ করতে সক্ষম, যার ফলে অল্প সময়ে অধিক পরিমাণে মুদ্রিত সামগ্রী উৎপাদন করা যায়।
২. মুদ্রণে নমনীয়তা: ফ্লেক্সোগ্রাফিক মুদ্রণের নমনীয়তার কারণে এমন বিভিন্ন ধরণের উপকরণ ব্যবহার করা যায়, যা অন্য কোনো পদ্ধতিতে মুদ্রণ করা সম্ভব নয়। এছাড়াও, মুদ্রণ ও উৎপাদনে দ্রুত পরিবর্তন আনার জন্য প্যারামিটার এবং ক্যালিব্রেশনও সমন্বয় করা যায়।
৩. উন্নত মুদ্রণ গুণমান: সিআই কাগজে ফ্লেক্সোগ্রাফিক প্রিন্টিং অন্যান্য মুদ্রণ কৌশলের তুলনায় উন্নত মানের মুদ্রণ প্রদান করে, কারণ এতে টোনার বা প্রিন্টিং কার্ট্রিজের পরিবর্তে তরল কালি ব্যবহার করা হয়।
৪. কম উৎপাদন খরচ: অন্যান্য প্রিন্টিং পদ্ধতির তুলনায় এই মেশিনের উৎপাদন খরচ কম। এছাড়াও, জল-ভিত্তিক কালির ব্যবহার খরচ কমায় এবং প্রক্রিয়াটির স্থায়িত্ব বাড়ায়।
৫. ফ্লেক্সোগ্রাফিক ছাঁচের দীর্ঘস্থায়িত্ব: এই মেশিনে ব্যবহৃত ফ্লেক্সোগ্রাফিক ছাঁচগুলো অন্যান্য মুদ্রণ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ছাঁচের চেয়ে বেশি টেকসই, যার ফলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম হয়।